০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুজানগরে গণধর্ষণের ঘটনা রাজনৈতিক ভাবে অপব্যবহারের অভিযোগ বাদীর

Nurunnobi
  • Update Time : ১০:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
  • / ৩৭০ Time View

সংবাদদাতা:
পাবনার সুজানগরে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা হাসিল করতে অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (১৯ মে) বিকেলে সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মামলার বাদী ভুক্তভোগী কিশোরীর নানী জহুরা খাতুন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে প্রকৃতি ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে কিশোরীকে ধর্ষণ করে মোস্তফ, বারেক মৃধা সহ কয়েকজন কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে চিৎকার শুরু করে। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

তিনি অভিযোগ করেন, অথচ এই ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ধর্ষণের ঘটনাকে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে একজন প্রার্থীর লোকজন ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে উল্লেখ করে অসত্য নিউজ করেছে। যা আদৌ সত্য নয়।

জহুরা খাতুন বলেন, আমি নিজেই চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল ওহাবকে ভোট দিয়েছি। এখানে তার লোকজন এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। ভুক্তভোগী পরিবার ধর্ষণের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছে।

Tag :

Share This Post

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সুজানগরে গণধর্ষণের ঘটনা রাজনৈতিক ভাবে অপব্যবহারের অভিযোগ বাদীর

Update Time : ১০:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

সংবাদদাতা:
পাবনার সুজানগরে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা হাসিল করতে অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (১৯ মে) বিকেলে সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মামলার বাদী ভুক্তভোগী কিশোরীর নানী জহুরা খাতুন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে প্রকৃতি ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে কিশোরীকে ধর্ষণ করে মোস্তফ, বারেক মৃধা সহ কয়েকজন কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে চিৎকার শুরু করে। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

তিনি অভিযোগ করেন, অথচ এই ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ধর্ষণের ঘটনাকে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা হিসেবে একজন প্রার্থীর লোকজন ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে উল্লেখ করে অসত্য নিউজ করেছে। যা আদৌ সত্য নয়।

জহুরা খাতুন বলেন, আমি নিজেই চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল ওহাবকে ভোট দিয়েছি। এখানে তার লোকজন এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। ভুক্তভোগী পরিবার ধর্ষণের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছে।