০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক এমপি প্রিন্সের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

Nurunnobi
  • Update Time : ০৭:২২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৬৬ Time View

পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনা-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়–১ গত ২০ ফেব্রুয়ারি প্রিন্সের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩৪ টাকার জ্ঞাত–আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার নামে খোলা ৩৯টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ২১২ কোটি ৬৭ লাখ ৭২ হাজার ১০০ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ২১২ কোটি ৬৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯৭ টাকা। মোট ৪২৫ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৭ টাকার এসব অস্বাভাবিক লেনদেনের অবৈধ উৎস গোপন করতে তিনি মানিলন্ডারিংয়ের বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছেন বলে দুদক অভিযোগে জানিয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দাখিল করা আবেদনে জানান, আসামির শুরু থেকে ২০২৪–২৫ করবর্ষ পর্যন্ত সব আয়কর রিটার্ন, কর নির্ধারণী আদেশ, প্রতিবেদনসহ সংরক্ষিত রেকর্ড সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা জরুরি। আয়কর আইন ২০২৩–এর ৩০৯(৩)(ক) ধারা অনুযায়ী এ ধরনের নথি সংগ্রহে আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে পরামর্শ শেষে আদালত আসামির টিআইএন নম্বর ৭৬৩৮৬৮১২৮২০৩–এর অধীনে কর সার্কেল–০৯ (পাবনা), কর অঞ্চল–রাজশাহীতে থাকা সব আয়কর নথি জব্দ এবং সত্যায়িত কপি সংগ্রহ করে তদন্ত কর্মকর্তাকে সরবরাহের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কর কমিশনার, কর সার্কেল–০৯ এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আদেশের অনুলিপি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

Tag :

Share This Post

About Author Information

সাবেক এমপি প্রিন্সের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

Update Time : ০৭:২২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনা-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়–১ গত ২০ ফেব্রুয়ারি প্রিন্সের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩৪ টাকার জ্ঞাত–আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার নামে খোলা ৩৯টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ২১২ কোটি ৬৭ লাখ ৭২ হাজার ১০০ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ২১২ কোটি ৬৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯৭ টাকা। মোট ৪২৫ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৭ টাকার এসব অস্বাভাবিক লেনদেনের অবৈধ উৎস গোপন করতে তিনি মানিলন্ডারিংয়ের বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছেন বলে দুদক অভিযোগে জানিয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দাখিল করা আবেদনে জানান, আসামির শুরু থেকে ২০২৪–২৫ করবর্ষ পর্যন্ত সব আয়কর রিটার্ন, কর নির্ধারণী আদেশ, প্রতিবেদনসহ সংরক্ষিত রেকর্ড সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা জরুরি। আয়কর আইন ২০২৩–এর ৩০৯(৩)(ক) ধারা অনুযায়ী এ ধরনের নথি সংগ্রহে আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে পরামর্শ শেষে আদালত আসামির টিআইএন নম্বর ৭৬৩৮৬৮১২৮২০৩–এর অধীনে কর সার্কেল–০৯ (পাবনা), কর অঞ্চল–রাজশাহীতে থাকা সব আয়কর নথি জব্দ এবং সত্যায়িত কপি সংগ্রহ করে তদন্ত কর্মকর্তাকে সরবরাহের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কর কমিশনার, কর সার্কেল–০৯ এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আদেশের অনুলিপি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।