০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাঙ্গুড়ায় বাবার পর মাকে হারিয়ে দিশেহারা ২ শিশু

Nurunnobi
  • Update Time : ০৭:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৪২০ Time View

মোঃ মেহেদী হাসান,ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধিঃ
৫ বছর আগে স্ট্রোক করে বাবা মারা গেছেন। বাবা হারানোর শোক কাটতে না কাটতেই স্টোকেই মারা গেলেন মা। বাবা-মাকে হারিয়ে এখন দিশেহারা দুই শিশু। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় চলতি মাসেই পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খান মরিচ ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামের মোছাঃ আজিমা খাতুন, স্বামী হারানোর শোকে স্ট্রোক জনিত কারণে মারা যায়।

মায়ের মৃত্যুতে জীবনে অন্ধকার নেমে এসেছে শিশু মরিয়ম (০৯), ইসমাইল (০৬) মাকে হারিয়ে দিশেহারা তারা । মাঝে মাঝেই মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকছে তারা।তাদের চাচা হোসেন আলী বলেন তিনি ছোট ভাইয়ের ছেলে-মেয়ে নিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছেন তিনি তার উপর দায়িত্ব পড়েছে তাদের দেখা শোনা করার তার নিজের সংসার চলে না দিন আনে দিন খায় ।

গতকাল সামাজিক সংগঠনের লিডার মামুন বিশ্বাস খানমরিচ ইউনিয়নের মাদারবাড়ীয়া গ্রামে এতিম দুই শিশুর বাড়িতে আসছিল। তিনি বলেন সংকটকালীন শিশুদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে সংগঠনটি। তাদের পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বহন করবে তারা। সামাজিক সংগঠনের, এমন খবর পেয়ে আমরা চেষ্টা করেছি তাদের জন্য কিছু করার। আমরা আশা করি, এই এতিম শিশুদের পাশে অন্যরাও দাঁড়াবে।

সবার কাছে আকুতি জানিয়ে হোসেন আলী বলেন, আপনারা সবাই আমাদের পাশে এগিয়ে আসুন। আমরাদের একটু সহযোগিতা করুন । তাদের চাচা হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই মরহুম ওয়াজেদ হোসেনের দুই টি সন্তান। এক ছেলে এক মেয়ে। বড় মেয়ে মোছাঃ মরিয়ম মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। আর ছোট ছেলে মোঃ ইসমাইল (৬) বছর বয়স এখন ও স্কুলে যায় না। ৫ বছর আগে আমার ভাই মারা গেছে। এখন তাদের মা মরহুমা আজিমা খাতুন মারা যাওয়ায় দুটি শিশু এতিম হয়ে গেছে। এখন তাদের চলা কষ্টের হয়ে গেছে।

সমাজের বিত্তবান মানুষরা যদি তাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তারা চলতে পারবে।মামুন বিশ্বাস পাশে দাঁড়িয়েছে। এভাবে আরও মানুষ যদি তাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। আমি আশা করছি, সমাজের বিত্তবানরা তাদের পাশে দাঁড়াবে। এ বিষয়ে হিউম্যান ওয়েলফেয়ার রিসোর্স সেন্টার জানান তারা খুব দ্রুতই ওই শিশুদের পাশে দাঁড়াবে।

Tag :

Share This Post

About Author Information

ভাঙ্গুড়ায় বাবার পর মাকে হারিয়ে দিশেহারা ২ শিশু

Update Time : ০৭:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ মেহেদী হাসান,ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধিঃ
৫ বছর আগে স্ট্রোক করে বাবা মারা গেছেন। বাবা হারানোর শোক কাটতে না কাটতেই স্টোকেই মারা গেলেন মা। বাবা-মাকে হারিয়ে এখন দিশেহারা দুই শিশু। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় চলতি মাসেই পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খান মরিচ ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামের মোছাঃ আজিমা খাতুন, স্বামী হারানোর শোকে স্ট্রোক জনিত কারণে মারা যায়।

মায়ের মৃত্যুতে জীবনে অন্ধকার নেমে এসেছে শিশু মরিয়ম (০৯), ইসমাইল (০৬) মাকে হারিয়ে দিশেহারা তারা । মাঝে মাঝেই মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকছে তারা।তাদের চাচা হোসেন আলী বলেন তিনি ছোট ভাইয়ের ছেলে-মেয়ে নিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছেন তিনি তার উপর দায়িত্ব পড়েছে তাদের দেখা শোনা করার তার নিজের সংসার চলে না দিন আনে দিন খায় ।

গতকাল সামাজিক সংগঠনের লিডার মামুন বিশ্বাস খানমরিচ ইউনিয়নের মাদারবাড়ীয়া গ্রামে এতিম দুই শিশুর বাড়িতে আসছিল। তিনি বলেন সংকটকালীন শিশুদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে সংগঠনটি। তাদের পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বহন করবে তারা। সামাজিক সংগঠনের, এমন খবর পেয়ে আমরা চেষ্টা করেছি তাদের জন্য কিছু করার। আমরা আশা করি, এই এতিম শিশুদের পাশে অন্যরাও দাঁড়াবে।

সবার কাছে আকুতি জানিয়ে হোসেন আলী বলেন, আপনারা সবাই আমাদের পাশে এগিয়ে আসুন। আমরাদের একটু সহযোগিতা করুন । তাদের চাচা হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই মরহুম ওয়াজেদ হোসেনের দুই টি সন্তান। এক ছেলে এক মেয়ে। বড় মেয়ে মোছাঃ মরিয়ম মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। আর ছোট ছেলে মোঃ ইসমাইল (৬) বছর বয়স এখন ও স্কুলে যায় না। ৫ বছর আগে আমার ভাই মারা গেছে। এখন তাদের মা মরহুমা আজিমা খাতুন মারা যাওয়ায় দুটি শিশু এতিম হয়ে গেছে। এখন তাদের চলা কষ্টের হয়ে গেছে।

সমাজের বিত্তবান মানুষরা যদি তাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তারা চলতে পারবে।মামুন বিশ্বাস পাশে দাঁড়িয়েছে। এভাবে আরও মানুষ যদি তাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। আমি আশা করছি, সমাজের বিত্তবানরা তাদের পাশে দাঁড়াবে। এ বিষয়ে হিউম্যান ওয়েলফেয়ার রিসোর্স সেন্টার জানান তারা খুব দ্রুতই ওই শিশুদের পাশে দাঁড়াবে।