জেলা মিডিয়া বিভাগের উদ্যোগে সাংগঠনিক ও বায়তুলমাল পক্ষ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা
- Update Time : ০৭:০২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
- / ৪৫ Time View
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাবনা জেলা শাখার মিডিয়া বিভাগের উদ্যোগে সাংগঠনিক ও বায়তুলমাল পক্ষ উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) দুপুর ২টায় পাবনা পৌরসভা জামায়াতের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা মিডিয়া বিভাগের সভাপতি ও দৈনিক জীবন কথা পত্রিকার সম্পাদক এ এস এম আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রফিকুল আলম রন্জুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য, পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও আটঘরিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান বলেন, “বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজ গঠন ও সত্য প্রচারের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। জামায়াতে ইসলামী সবসময় মানবকল্যাণমূলক ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বায়তুলমালকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে গণমাধ্যম কর্মীদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকে সোচ্চার থাকতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য, পাবনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও পাবনা পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল গাফফার খান এবং পৌরসভা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল লতিফ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মিডিয়া বিভাগের সহ-সভাপতি ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এস এম সোহেল, সদর উপজেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক ওবায়দুর রহমান খান, সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক ড. কামরুজ্জামান বকুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং পাবনায় কর্মরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করা, বায়তুলমাল কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।









