ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ, প্রিন্সিপাল মোফাজ্জল হোসেন সাগরকে ঘিরে বিতর্ক
- Update Time : ১১:২২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
- / ৯৫ Time View
ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ টেকনিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল মোফাজ্জল হোসেন সাগরের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে স্বজনদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগকারী খানমরিচ গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিনের ছেলে মোঃ মিলন হোসেন জানান, কলেজে নৈশ্য প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে প্রিন্সিপাল সাগর ৭ লাখ টাকা নেন। তিনি দাবি করেন, তাদের পরিবার প্রতিষ্ঠানটির ভূমি দাতা—প্রায় দুই বিঘা জমি দিয়েছেন তারা। এছাড়া তার বাবা রুহুল আমিনকে প্রায় দুই বছর বিনা বেতনে নৈশ্য প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে রুহুল আমিনের বয়স বেশি হয়ে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে তার ছেলে মিলনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন মিলন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। পরে আজ (১ মে) উপজেলা পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও তা উপজেলা পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকেও নগদ অর্থ নেওয়া হয়েছে। নভেম্বরের সার্কুলারে নৈশ্য প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগের কথা থাকলেও পরীক্ষায় নৈশ্য প্রহরী পদে অন্য জেলার প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, আয়া পদে কোনো প্রার্থী উপস্থিত না থাকায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
এছাড়াও ভুক্তভোগীরা জানান, একাধিকবার পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরে তা বাতিল করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল মোফাজ্জল হোসেন সাগর কে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষী সাব্যস্ত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।










