পাবনায় ছাগল তাড়ানোর অভিযোগে মসজিদের ইমামেক মারধরের অভিযোগ
- Update Time : ১০:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
- / ৪৮১ Time View
স্টাফ রিপোর্টারঃ
পাবনা সদর উপজেলায় মসজিদ থেকে ছাগল তাড়ানো কেন্দ্র করে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দিঘলকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আতাউর রহমান। আতাউর রহমান দিঘলকান্দি জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন। অন্যদিকে অভিযুক্ত ওই গ্রামের মৃত আলিনুদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে আকরাম হোসেন ও তার ছেলে আহসান।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, আকরাম হোসেনের একটি ছাগল মাঝে মাঝেই মসজিদে ঢুকে এবং প্রস্রাব-পায়খানা করে মসজিদ নোংরা করে। বিষয়টি আকরাম হোসেন ও তার পরিবারকে কয়েক দফায় জানানো হলেও তারা ব্যবস্থা নেননি। সবশেষ শুক্রবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে আকরাম হোসেনের ছাগল আবার মসজিদে ঢুকে এবং নোংরা করে। এ সময় ঝাড়ু দিয়ে ছাগলটিকে তাড়িয়ে দেন ইমাম।
এ ঘটনায় আকরাম হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে মসজিদের ভেতর আতাউর রহমানকে গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে তার ছেলেকে নিয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করেন। এ সময় কপালের ডান পাশ ফেটে যায় তার। পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ইমাম।
ভুক্তভোগী আতাউর রহমান বলেন, এর আগেও অনেকবার তার ছাগল মসজিদ নোংরা করেছে। আমি বললেও তারা কানেই নেন না। অথচ মসজিদ নোংরা থাকলে মুসল্লিরা আমাকে কথা শোনায়। শুক্রবার ঝাড়ু দিয়ে ছাগল তাড়িয়ে দিয়েছি। এজন্য আমাকে মারধর করেছে।
তিনি আরও বলেন, আসলে অভিযুক্ত আমাকে এই মসজিদ থেকে তাড়াতে চান। কিন্তু এলাকাবাসী আমাকে নিযুক্ত রেখেছেন। তাই আমাকে হুমকি দিয়ে তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
অভিযুক্ত আকরাম হোসেন বলেন, মসজিদে উনাকে রাখতে চাই না এ কথা সত্য নয়। ইমাম সাহেবের সাথে আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে খুবই ভালো সম্পর্ক। এর আগে কখনো আমাদের কোনো ঝামেলা হয়নি। ছোট্ট একটা ঘটনায় মেজাজ হারিয়ে উভয়ের মধ্যেই হাতাহাতি হয়েছে। এটি নিয়ে আমি খুবই অনুতপ্ত। আমরা নিজেরাই বিষয়টি ঠিক করে নেব।
এ ব্যাপারে পাবনা সদর থানার ওসি আব্দুস সালাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ যাবে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।









