০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান উৎপল মির্জার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, অস্ত্রসহ আটক ৪ ।

Nurunnobi
  • Update Time : ০৪:০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৮২ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি:
পাবনায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি ও উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চিফ উৎপল মির্জসর বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাংচুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীসহ চারজনকে অস্ত্রসহ আটক করছে পুলশি।

রোববার (১২নভম্বের) দুপুরে পাবনা পৌর সদরের দিলালপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলনে, পাবনার সাঁথিয়া উপজলোর আলোকদিয়ার গ্রামের শরিফুল ইসলামরে স্ত্রী তসলিমা খাতুন (৩৫) পাবনা পৌর সদরের আরফিপুর মহল্লার আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে মোবারক মোল্লা (২৫) দিলালপুর মহল্লার জহুরুল ইসলাম (৩৫) ও তানভীর ইসলাম (৩০)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দুপুরে বেশিকছু সন্ত্রাসী একটি মাইক্রোবাস ও কয়েকটি মোটরসাইকল যোগে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক উৎপল মির্জার বাড়তিে হামলা চালায়। এ সময় তারা সাংবাদকিরে নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বাসার তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢোকার চষ্টো করে,ঘটনার সময় সাংবাদিক উৎপল মির্জা বাড়িতে ছিলেন না। হামলার ঘটনায় ভীত সন্ত্রস্ত সাংবাদিক উৎপল মর্জিার স্ত্রী ফোনে তাকে ঘটনা জানান। তিনি তাৎক্ষনকি পুলিশ সুপারকে জানালে সদর থানার ওসির নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পুলশি ফোর্স পাঠান।

সদর থানার ওসি রওশন আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নারীসহ চারজন আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে পুলিশ। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ‘হামলার ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষনিক হাতেনাতে চারজনকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে। তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে । এর পেছনে কারা ছিল, কি কারণে এই হামলার ঘটনা সব খতিয়ে দেখেছি। প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষপে নো হচ্ছে ।

ভুক্তভোগী সাংবাদকি উৎপল মর্জিা বলনে, ‘দুপুরে আমি মাছারাঙা টেলিভিশনের পাবনা অফিসে কর্মরত ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী কান্নাজড়তি কন্ঠে হামলার ঘটনাটি জানায়। আমি দ্রুত পুলিশ সুপারকে জানালে তিনি সদর থানার ওসিকে র্ফোস সহ ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে হামলাকারী বেশিরভাগ পালিয়িে গেলেও চারজনকে আটক করেছে পুলশি।

উৎপল মর্জিা আরো বলনে, ‘হামলাকারীরা বহিরাগত, তাদরে আগে কখনও এলাকায় দেখ যায়নি। তাদের ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়েছে বলে মনে হয়। কেন, কি কারণে এই হামলা তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি তিনি। তবে ইছামতি নদী নিয়ে একটি অনুসন্ধানী রিপোর্ট করার কারণে সংক্ষুব্ধ কেউ হামলার সাথে জড়তি থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন সাংবাদকি উৎপল মির্জা।

এদিকে সাংবাদিক উৎপল মির্জার বাড়িতে সশস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পাবনায় র্কমরত সাংবাদকিরা।

পাবনা সদর থানার ওসি রওশন আলী বলনে, ‘সাংবাদকি উৎপল মির্জা বাদী হয়ে চারজনরে নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে আসামী করে রবিবার সন্ধ্যায় মামলা করেছেন। সেই মামলায় আটককৃতদরে গ্রেফতারের দেখিয়ে সোমবার আদালতরে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

Tag :

Share This Post

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান উৎপল মির্জার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, অস্ত্রসহ আটক ৪ ।

Update Time : ০৪:০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

বিশেষ প্রতিনিধি:
পাবনায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি ও উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চিফ উৎপল মির্জসর বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাংচুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীসহ চারজনকে অস্ত্রসহ আটক করছে পুলশি।

রোববার (১২নভম্বের) দুপুরে পাবনা পৌর সদরের দিলালপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলনে, পাবনার সাঁথিয়া উপজলোর আলোকদিয়ার গ্রামের শরিফুল ইসলামরে স্ত্রী তসলিমা খাতুন (৩৫) পাবনা পৌর সদরের আরফিপুর মহল্লার আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে মোবারক মোল্লা (২৫) দিলালপুর মহল্লার জহুরুল ইসলাম (৩৫) ও তানভীর ইসলাম (৩০)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দুপুরে বেশিকছু সন্ত্রাসী একটি মাইক্রোবাস ও কয়েকটি মোটরসাইকল যোগে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক উৎপল মির্জার বাড়তিে হামলা চালায়। এ সময় তারা সাংবাদকিরে নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বাসার তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢোকার চষ্টো করে,ঘটনার সময় সাংবাদিক উৎপল মির্জা বাড়িতে ছিলেন না। হামলার ঘটনায় ভীত সন্ত্রস্ত সাংবাদিক উৎপল মর্জিার স্ত্রী ফোনে তাকে ঘটনা জানান। তিনি তাৎক্ষনকি পুলিশ সুপারকে জানালে সদর থানার ওসির নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পুলশি ফোর্স পাঠান।

সদর থানার ওসি রওশন আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নারীসহ চারজন আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে পুলিশ। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ‘হামলার ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষনিক হাতেনাতে চারজনকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে। তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে । এর পেছনে কারা ছিল, কি কারণে এই হামলার ঘটনা সব খতিয়ে দেখেছি। প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষপে নো হচ্ছে ।

ভুক্তভোগী সাংবাদকি উৎপল মর্জিা বলনে, ‘দুপুরে আমি মাছারাঙা টেলিভিশনের পাবনা অফিসে কর্মরত ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী কান্নাজড়তি কন্ঠে হামলার ঘটনাটি জানায়। আমি দ্রুত পুলিশ সুপারকে জানালে তিনি সদর থানার ওসিকে র্ফোস সহ ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে হামলাকারী বেশিরভাগ পালিয়িে গেলেও চারজনকে আটক করেছে পুলশি।

উৎপল মর্জিা আরো বলনে, ‘হামলাকারীরা বহিরাগত, তাদরে আগে কখনও এলাকায় দেখ যায়নি। তাদের ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়েছে বলে মনে হয়। কেন, কি কারণে এই হামলা তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি তিনি। তবে ইছামতি নদী নিয়ে একটি অনুসন্ধানী রিপোর্ট করার কারণে সংক্ষুব্ধ কেউ হামলার সাথে জড়তি থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন সাংবাদকি উৎপল মির্জা।

এদিকে সাংবাদিক উৎপল মির্জার বাড়িতে সশস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পাবনায় র্কমরত সাংবাদকিরা।

পাবনা সদর থানার ওসি রওশন আলী বলনে, ‘সাংবাদকি উৎপল মির্জা বাদী হয়ে চারজনরে নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে আসামী করে রবিবার সন্ধ্যায় মামলা করেছেন। সেই মামলায় আটককৃতদরে গ্রেফতারের দেখিয়ে সোমবার আদালতরে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।